ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে খ্রিস্টান আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘সাধু আন্তনীর পর্ব’ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রার্থনা সভা ও ঐতিহ্যবাহী তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি আদিবাসী সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা স্থানীয় জনপদে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মাঞ্জি পরিষদের আয়োজনে বরবাড়ী-দস্তমপুর মিশন মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা। দূর-দূরান্ত থেকে আগত বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় প্রাণচাঞ্চল্য। দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন পরিণত হয় আদিবাসী সংস্কৃতির এক মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহেশপুর ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার মাইকেল তিগ্যা, উপজেলা খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেভারেন্ট বিষ্ণুপদ রায়, বরবাড়ী-দস্তমপুর মিশনের ফাদার আগষ্টিন কুজুর, পাড়িয়া বিএন ইএলসি মিশনের পালক রেভারেন্ট টোমাস টুডু, অনুষ্ঠানের সভাপতি সুনীল কিস্কু বাবলু, ফাদার আলবার্ট সরেন ও ফাদার বাবুরাম হাজদা। এ সময় খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য বর্ণবাস কিস্কুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বরবাড়ী-দস্তমপুর মিশনের ফাদার আগষ্টিন কুজুর বলেন, “সাধু আন্তনীর পর্ব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বন্ধনের প্রতীক। আধুনিকতার প্রভাবে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক চর্চাগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়।” তিনি আরও জানান, পীরগঞ্জ, বোচাগঞ্জ, রাণীশংকৈল ও ঠাকুরগাঁও সদর—এই চার উপজেলার খ্রিস্টান আদিবাসী সদস্যরা তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি হয়।
স্থানীয় প্রবীণরা জানান, তীর-ধনুক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, শিকার সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমানে এটি জীবিকার উপকরণ না থাকলেও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার হিসেবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন আদিবাসী সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনা জাগ্রত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অপূর্ব সমন্বয়ে আয়োজিত এই তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা প্রমাণ করে নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধারণ ও সংরক্ষণের মধ্য দিয়েই আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহেশপুর ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার মাইকেল তিগ্যা, উপজেলা খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেভারেন্ট বিষ্ণুপদ রায়, বরবাড়ী-দস্তমপুর মিশনের ফাদার আগষ্টিন কুজুর, পাড়িয়া বিএন ইএলসি মিশনের পালক রেভারেন্ট টোমাস টুডু, অনুষ্ঠানের সভাপতি সুনীল কিস্কু বাবলু, ফাদার আলবার্ট সরেন ও ফাদার বাবুরাম হাজদা। এ সময় খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য বর্ণবাস কিস্কুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বরবাড়ী-দস্তমপুর মিশনের ফাদার আগষ্টিন কুজুর বলেন, “সাধু আন্তনীর পর্ব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বন্ধনের প্রতীক। আধুনিকতার প্রভাবে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক চর্চাগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়।” তিনি আরও জানান, পীরগঞ্জ, বোচাগঞ্জ, রাণীশংকৈল ও ঠাকুরগাঁও সদর—এই চার উপজেলার খ্রিস্টান আদিবাসী সদস্যরা তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি হয়।
স্থানীয় প্রবীণরা জানান, তীর-ধনুক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, শিকার সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমানে এটি জীবিকার উপকরণ না থাকলেও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার হিসেবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন আদিবাসী সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনা জাগ্রত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অপূর্ব সমন্বয়ে আয়োজিত এই তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা প্রমাণ করে নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধারণ ও সংরক্ষণের মধ্য দিয়েই আদিবাসী সম্প্রদায় তাদের শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি